Categories
TË TJERA

বেড়িয়ে এল আসল রহস্য ময়নাতদন্তে পর, লাশ হাসপাতালের মর্গে রেখে স্বজনরা পলাতক!

নাটোরে কলেজ ছাত্রকে বিয়ে করে ভাইরাল হওয়া সেই শিক্ষিকা খাইরুন নাহারের ময়নাতদন্ত শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার বাদ এশা তাঁর জানাজা শেষে খামার নাচকৈড় কবরস্থানে মরদেহ সমাহিত করা হয়। তবে তার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মেলেনি নির্যাতন কিংবা আঘাতের চিহ্ন। শ্বাসরোধেই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন নাটোর সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, রোববার বিকেলে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়। ওই সময় মরদেহের গলায় একটি দাগ ছাড়া অন্য কোনো জখম বা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরে নাটোর সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সামিউল ইসলাম জানান, শিক্ষিকা খায়রুন নাহারের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। শ্বাসরোধ হওয়ার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তারপরও ভিসেরা রিপোর্ট এলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।বিষয়টি নিয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে ময়নাতদন্ত করা হয়।

 

এর আগে রোববার সকালে উপজেলার গুরুদাসপুর এম হক কলেজের সহকারী অধ্যাপক খাইরুন নাহারের মরদেহ শহরের বলারিপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর বাসা থেকেই তাঁর স্বামী কলেজছাত্র মামুন হোসেনকে আটক করে পুলিশ।

সহকারী অধ্যাপক খায়রুন নাহার গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় পৌর এলাকার মো.খয়ের উদ্দিনের মেয়ে। তার স্বামী মামুন হোসেন একই  উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামেরর মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও নাটোর নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
এর আগে ছয় মাসের প্রেমের পর স্বামী পরিত্যক্তা এক ছেলের জননী খায়রুন নাহার গত বছরের ১২ই ডিসেম্বর কাজী অফিসে গিয়ে দুজন গোপনে বিয়ে করেন। বিয়ের ৬ মাস পর গত জুলাই মাসে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে বেশ আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.